আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার দাবি দুদকের, অনুসন্ধান শুরু

ঢাকা, বুধবার — অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক জানায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতি এবং পছন্দের কর্মকর্তাদের পছন্দের স্থানে পদায়নসংক্রান্ত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য একজন উপপরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছে দুদক।
অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুল আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং কর্মকর্তাদের পছন্দের স্থানে পোস্টিং দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
মো. আকতারুল ইসলাম জানান, অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও নতুন পদায়নের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।
এ ছাড়া প্রায় ১৫০ জন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পছন্দের স্থানে পদায়নের ক্ষেত্রেও প্রায় দুই কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলে কমিশন জানিয়েছে।
দুদক বলেছে, অনুসন্ধান শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযোগগুলো বর্তমানে অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে এবং দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণের সমতুল্য নয়।



