মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: ২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি বাংলাদেশ সরকার। এর মধ্যেই ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়নের তথ্য পাওয়া গেছে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন শুরু হয়েছে, যা শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগোনোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সুপারমার্কেট চেইন এনএসকে ট্রেড সিটির ২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়নের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেডের অধীনে ওই চাহিদাপত্র সত্যায়ন করা হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্টার নিউজকে জানানো হয়েছে।
তবে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয় এখনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেয়নি। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক করে মতামত নেওয়া হবে এবং এরপর কীভাবে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দীর্ঘ কূটনৈতিক আলোচনা ও তৎপরতার পর প্রায় দুই মাস আগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার। তবে এরপর থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট তথ্য না পাওয়ায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কয়েকজন অভিবাসন প্রত্যাশী শ্রমবাজার ও নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য পেতে গিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ জানান, কোথায় যোগাযোগ করতে হবে বা কার কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে, তা নিয়েও স্পষ্টতা নেই।
এর মধ্যেই একটি প্রতিষ্ঠানের ২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়নের তথ্য সামনে আসায় শ্রমবাজার চালুর প্রক্রিয়া বাস্তবে কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিবাসনপ্রত্যাশীরা সরকারকে শ্রমবাজারের বর্তমান অবস্থা, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও কর্মী পাঠানোর সময়সূচি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীরা।













