আর্যবীর শেবাগের ১৭৩ রান, তবু চণ্ডীগড়ের কাছে হারল দিল্লি

আর্যবীর শেবাগের ১৭৩ রান, তবু চণ্ডীগড়ের কাছে হারল দিল্লি
ছবি: রয়টার্স

বীরেন্দর শেবাগের ছেলে আর্যবীর শেবাগের ব্যাটে ঝড় উঠল ভিনু মানকড় ট্রফিতে। চণ্ডীগড় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ১৪৩ বলে ১৭৩ রানের ইনিংস খেলেছেন দিল্লি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক। তবে তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েও জয় পায়নি দিল্লি। ওপেনার রুপেশ যাদবের ১৬৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাঁচ উইকেটে জিতেছে চণ্ডীগড়।

শুক্রবার এসিএ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ৫০ ওভারের ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি ৬ উইকেটে ২৮৯ রান করে। আর্যবীরের ইনিংসে ছিল ১৯টি চার ও আটটি ছক্কা। তাঁর ১৭৩ রানের মধ্যে ১২৪ রান আসে বাউন্ডারি থেকে। ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ইনিংসের ৪৬তম ওভারে আউট হন ১৮ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটার।

উদ্বোধনী জুটিতে অর্ণব বুগগার সঙ্গে ১৩.২ ওভারে ৯৮ রান যোগ করেন আর্যবীর। বুগগা ৩৯ বলে করেন ৪৭ রান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তুলতে থাকেন দিল্লির অধিনায়ক। অভিরাজ গগন সিংয়ের ১৮ এবং শান্তনু যাদবের অপরাজিত ২৭ রান ছাড়া দিল্লির আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

চলতি টুর্নামেন্টের আগের তিন ম্যাচে আর্যবীরের সংগ্রহ ছিল ৫৪, ৪৬ ও ৩২ রান। গত মাসে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ভারতের হয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১০৯ রান করেছিলেন তিনি। এবার ভিনু মানকড় ট্রফিতে খেললেন নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস।

তবে আর্যবীরের সেই ইনিংসও দিল্লিকে জেতাতে পারেনি। জবাবে রুপেশ যাদবের ১২৫ বলে ১৬৭ রানের ইনিংসে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায় চণ্ডীগড়। তাঁর ইনিংসে ছিল ২৩টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। ৫১ বল হাতে রেখেই পাঁচ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে দলটি।

গুজরাটের বিপক্ষে ৩৩৯ রান তাড়া করে জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল দিল্লি। এরপর হিমাচল প্রদেশ ও কর্ণাটকের কাছে হার এবং ঝাড়খণ্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়ে। চণ্ডীগড়ের বিপক্ষে হার সেই চাপ আরও বাড়াল।


Leave a Comment